আমরা বিশ্বাস করি বেটিং অভিজ্ঞতা হওয়া উচিত সহজ, স্বচ্ছ এবং আনন্দময়। সেই ভাবনা থেকেই Kerikiya-র জন্ম।
Kerikiya-র শুরুটা হয়েছিল একটা সহজ প্রশ্ন থেকে — বাংলাদেশের মানুষ কেন একটা ভালো, নির্ভরযোগ্য বেটিং প্ল্যাটফর্ম পাবে না? বিদেশি সাইটগুলোতে বাংলা নেই, বাংলাদেশি পেমেন্ট মেথড নেই, কাস্টমার সাপোর্ট বোঝে না। এই সমস্যাগুলো মাথায় রেখেই Kerikiya তৈরি হয়েছে।
আমাদের টিম অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। আমরা জানি একজন সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর কী দরকার — ঝামেলামুক্ত ডিপোজিট, দ্রুত উইথড্র, এবং ম্যাচ চলাকালীন স্থিতিশীল প্ল্যাটফর্ম। Kerikiya-তে এই তিনটি বিষয়ই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়।
Kerikiya শুধু একটি বেটিং সাইট নয় — এটা একটা কমিউনিটি। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — বাংলাদেশের সব প্রান্তের মানুষ এখানে আসেন ক্রিকেট, ফুটবল ও অন্যান্য খেলায় মজা নিতে। আমরা তাদের প্রত্যেকের অভিজ্ঞতাকে সমান গুরুত্ব দিই।
স্বচ্ছতার ব্যাপারে আমরা আপোষ করি না। Kerikiya আন্তর্জাতিক লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত, এবং সমস্ত গেমের ফলাফল নিরপেক্ষ RNG (Random Number Generator) সিস্টেমে নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রতিটি বেটের ফলাফল রেকর্ড করা থাকে এবং ব্যবহারকারীরা নিজেদের বেটিং হিস্ট্রি যেকোনো সময় দেখতে পারেন।
আমরা বিশ্বাস করি দায়িত্বশীল গেমিং প্রত্যেক ব্যবহারকারীর অধিকার। তাই Kerikiya-তে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো টুলগুলো সবার জন্য উপলব্ধ। আমরা চাই আমাদের প্ল্যাটফর্ম সবসময় বিনোদনের মাধ্যম হিসেবেই থাকুক — আর্থিক চাপের কারণ না হয়ে।
Kerikiya-র যাত্রা শুরু হয়েছিল ছোট পরিসরে, কিন্তু ব্যবহারকারীদের ভালোবাসায় আজ আমরা বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম। আমাদের প্রতিটি আপডেট, প্রতিটি নতুন ফিচার আসে ব্যবহারকারীদের মতামত থেকে। আপনি যদি Kerikiya ব্যবহার করেন, আপনি শুধু একজন গ্রাহক নন — আপনি এই পরিবারের একজন সদস্য।
আমাদের প্ল্যাটফর্মের সেরা বৈশিষ্ট্যগুলো এক নজরে
Kerikiya শুধু একটি ব্যবসা নয়। আমরা বিশ্বাস করি সৎ ব্যবসা চালাতে হলে কিছু মূল্যবোধ প্রতিদিন মেনে চলতে হয়। এই মূল্যবোধগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়।
অভিজ্ঞ পেশাদারদের একটি নিবেদিত টিম
Kerikiya-র সার্ভার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ২৪/৭ মনিটরিং করা হয়। বড় ম্যাচের দিন — যেমন বাংলাদেশ-ভারত T20 বা BPL ফাইনালে — লক্ষাধিক রিকোয়েস্ট একসাথে আসে। সেই চাপেও প্ল্যাটফর্ম স্থিতিশীল রাখতে আমরা বিশেষ ক্লাউড স্কেলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করি।
অনেক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশে কাজ করে কিন্তু স্থানীয় প্রেক্ষাপট বোঝে না। Kerikiya জানে যে এখানের বেশিরভাগ মানুষ মোবাইল দিয়ে ইন্টারনেট চালায়, Mobile Pay সবার কাছে পরিচিত, আর ক্রিকেট মানে এখানে জাতীয় আবেগ। এই বোঝাপড়াটাই আমাদের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা।
Kerikiya-র প্রতিটি বড় ফিচার আসে ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক থেকে। আমাদের অ্যাপে একটি সহজ ফিডব্যাক বোতাম আছে। প্রতি সপ্তাহে সেই ফিডব্যাকগুলো বিশ্লেষণ করা হয় এবং দলের মিটিংয়ে আলোচনা হয়। ব্যবহারকারীরা বলেছিলেন উইথড্রের সময় SMS নোটিফিকেশন চাই — আমরা দু'সপ্তাহের মধ্যে সেটা চালু করেছিলাম।
Kerikiya এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনে আমরা আরও বেশি স্থানীয় খেলা যেমন কাবাডি ও হা-ডু-ডু-তে বেটিং চালু করতে চাই। লাইভ স্ট্রিমিং সেবা যোগ করার কাজ চলছে, যাতে ব্যবহারকারীরা Kerikiya-র প্ল্যাটফর্মেই ম্যাচ দেখতে পারেন। আমাদের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশের এক নম্বর বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া।
সব মিলিয়ে Kerikiya শুধু একটি ওয়েবসাইট নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ বেটিং উৎসাহীর একটা বিশ্বস্ত ঠিকানা। আমরা প্রতিদিন সেই বিশ্বাসের যোগ্য হওয়ার চেষ্টা করি।
Kerikiya সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা প্রশ্নগুলো